Skip to main content

নাগবল্লী



নাগবল্লী
বৈজ্ঞানিক নাম: Mussaenda frondosa
পরিচিতি:
ঝোপাল ছোট আকৃতির চিরসবুজ গাছ। সাধারণত দুই থেকে তিন ফুট উঁচু হতে পারে। পাতার রং উজ্জ্বল সবুজ, প্রায় চার সেন্টিমিটার লম্বা, হলুদ রঙের ফুল। সৌন্দর্য ও সঠিক প্রস্ফুটনের জন্য বছরে অন্তত একবার ডালপালা ছেঁটে দেওয়া প্রয়োজন। এটিও ক্রান্তীয় আফ্রিকার গাছ। তবে কোনো কোনো গ্রন্থে এশিয়ার কথাও বলা হয়েছে। এ গাছ বর্ণবৈচিত্র্য তৈরিতে আদর্শ বাগানের জন্য উত্তম। রোদ বা আংশিক ছায়া পছন্দ। মৌমাছি, প্রজাপতি এবং কিছু কিছু পাখির পছন্দের গাছ। বংশবৃদ্ধি কলমে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...