Skip to main content

বনচাঁদ


বনচাঁদ
বৈজ্ঞানিক নাম: Flagellaria indica
পরিচিতি:
এটি আরোহী গুল্ম। কাণ্ড প্রায় ১৫ মিটার লম্বা হয় এবং নলাকার। পাতার আগা আকর্ষী ধারক। পত্র আবরণী দুই থেকে সাত সেন্টিমিটার। ফুল আসে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ে। ফুল ক্ষুদ্র, পাপড়ি সাদা ও সুবাসী। ফল গোলাকার ছড়াবদ্ধ, মসৃণ পাকা অবস্থায় রক্তিম। একবীজী। ফল হয় সেপ্টেম্বর-নভেম্বের। কাণ্ড ঝুড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পাতার রস ক্ষতনাশক।
এ উদ্ভিদের আদি ভূমি অস্ট্রেলিয়ার উপকূল অঞ্চল। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়েছে উষ্ণমণ্ডলীয় এশিয়া ও আফ্রিকার উপকূলীয় দেশে। ফিজি দ্বীপেও এটি পাওয়া যায়। সুন্দরবন, পটুয়াখালী, বরিশাল, কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত এটি দেখা যায়।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)