মোহরকুঞ্জে এই ফুলটির নাম হ্যামেলিয়া (Hamelia patens) বা হামিংবার্ড বুশ। এর আদি নিবাস মেক্সিকোয়।
এর লম্বা গলা ফুলগুলি হামিংবার্ডের খুব পছন্দের। ফুলের মুখের কাছে উড়ন্ত অবস্থায় তারা মধু খায় যখন, তখন তারাই এর পরাগমিলন ঘটায়।
কমলাভ লাল বা লালাভ কমলা রঙের ফুলগুলি থোকায় থোকায় ফুটলে ভারী সুন্দর দেখায়।
এর ফল লাল, রসাল বেরির মতো।
কলকাতার পথে পার্কে এই গাছ এখন অজস্র দেখা যায়।
ওঙ্কারেশ্বর বেড়াতে গিয়ে আমাদের আস্তানা হয়েছিল গজানন আশ্রমে। অমন সুন্দর সাজানো ও পরিছন্ন আশ্রম ভূভারতে আর আছে কিনা জানিনা। তাদের বাগানটি যেমন বিশাল, তেমনি নানান ফুল গাছের উপচে পড়া সৌন্দর্যে নয়নাভিরাম। সেই বাগানে এই হ্যামেলিয়া ফুল দেখেছিলাম, যেমন তার স্বাস্থ্য তেমনি রঙের বাহার। যে কোনো কারণেই হোক বাগানের কেয়ারটেকার গাছটির নাম জানে না। আমি যত্ন করে বুঝিয়ে দিতে সে তো হেসে খুন। বেচারি কানে একটু কম শোনে, হ্যামেলিয়া শুনেছে হেমামালিনী। আমি আর তার ভুলটুকু ভাঙাই নি। মনে রাখা সহজ হবে!
আজ মোহরকুঞ্জের গাছগুলি দেখে মনে হলো গজানন আশ্রমের সেই স্বাস্থ্যবতী ফুলের সাথে এর তুলনা চলে না।
Comments
Post a Comment