Skip to main content

শিলকড়ই



শিলকড়ই
অন্যান্য নাম: সাদা শিরিষ, সাদা কড়ই, লোহা শিরিষ, জাত কড়ই,
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝘼𝙡𝙗𝙞𝙯𝙞𝙖 𝙥𝙧𝙤𝙘𝙚𝙧𝙖

পরিচিতি:
শিলকড়ই গাছের উচ্চতা ৬০-৭০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। বাকল হরিদ্রাভ সাদ, মসৃণ। পাতা দ্বিপক্ষল, যৌগিক। পুস্পবিন্যাস প্রান্তীয় পেনিকল, প্রায় ৩০ সেমি লম্বা, যার অগ্রভাগে ১৫-৩০টি সাদা বা সবুজাভ সাদা পুস্প অবস্থান করে। পুস্পের দলমন্ডল ফ্যানেলাকৃতির ৬-৬.৫ মিমি লম্বা, উপবৃত্তকার লতি যুক্ত।

শিলকড়ই অতিপরিচিত একটি গাছ। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই জন্মে। এছাড়া কাঠের মান ভালো হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবেও লাগানো হচ্ছে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...