Skip to main content

পাদাউক




পাদাউক
বৈজ্ঞানিক নাম: Pteriocarpus indicus
পরিচিতি:
মাত্র এক দিনের জন্য ফোটে এ ফুল। পরের দিন আর কোনো চিহ্নই থাকে না গাছে। প্রস্ফুটনের স্বল্প স্থায়িত্বের অনন্য বৈশিষ্ট্য। পাদাউক পত্রমেচি উঁচু বৃক্ষ, কাণ্ড অনুচ্চ, শীর্ষ বিশাল, ছত্রাকৃতি, পত্রঘন শাখান্ত দীর্ঘ ও আনত। পত্র একপক্ষল, বিজোড়পক্ষ। পত্রিকা পাঁচ থেকে নয়টি, মসৃণ, একান্তরে পত্রাক্ষে বিন্যস্ত। মঞ্জরি অনিয়ত, কাক্ষিক, বহুপৌষ্পিক, ঝুলন্ত ও নাতিদীর্ঘ। ফুল সুগন্ধী। ফল গোলাকৃতি, চ্যাপ্টা ও বায়ুবাহী। কাঠ দারুমূল্যযুক্ত। আদি আবাস মালয় ও মিয়ানমার। বংশবৃদ্ধি বীজ থেকে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...