Skip to main content

কার্নেশন


কার্নেশন

ইংরেজি নাম: Carnation
বৈজ্ঞানিক নাম: Dianthus caryophyllus
পরিচিতি:
কার্নেশন বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। Dianthus শব্দের অর্থ হচ্ছে স্বর্গীয় ফুল। খ্রিস্টের জন্মের পর এ ফুলের চাষ হতো ফ্রান্সে। ৬০০ থেকে ৭০০ খ্রিস্টাব্দে সুগন্ধি তৈরির জন্য এর চাষ হতো আরব দেশে। ফুল দিয়ে তোড়া তৈরি করা যায়। বাগানে তিন প্রকার কার্নেশনের চাষ হয়ে থাকে। বর্ডার কার্নেশন, পারপ্যাচুয়েল ফ্লাওয়ারিং এবং মার্গারিট। ফুলে লবঙ্গের মতো গন্ধ থাকে। আদি নিবাস দক্ষিণ ফ্রান্স। উদ্ভিদ ৪৫ থেকে ৯০ সেমি. বড় হয়। পাতা ঘাসের মতো। গোলাপের মতো ফুল। রঙ গোলাপী, লাল, হলুদ, সাদা। আকারে ও বর্ণে গোলাপের পরেই এর স্থান।

ফুলের নাম- কারনেশন
বৈজ্ঞানিক নাম- Dianthus caryophyllus
পরিবার- Caryophyllaceae
স্পেন, মোনাকো, শ্লোভেনিয়ার জাতীয় ফুল কারনেশন। কারনেশনের আদি নিবাস সম্পর্কে জানা যায় নি। ধারণা করা হয়, ২০০০ বছর যাবৎ বানিজ্যিকভাবে এর চাষ করা হচ্ছে। উন্নত কাট-ফ্লাওয়ার উৎপাদনের লক্ষ্যে সাধারণত গ্রিনহাউস বা পলিশেডে কারনেশন চাষ করার জন্য উৎসাহ দেয়া হয়। উজ্জ্বল সূর্যালোক গাছের বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত ফুল উৎপাদনে সাহায্য করে।
টবে রোপণ পদ্ধতি : ৮-১০ ইঞ্চি আকারের টবে সারা বছর কারনেশন ফুল উৎপাদন করা যায়। টবের নিচে ইটভাঙা ২ ইঞ্চি পুরু করে দিয়ে গোবর ও রাসায়নিক সার মিশ্রিত মাটি ভর্তি করে পানি দিয়ে রেখে দিতে হবে। ৭ দিন পর টিস্যু কালচারের হার্ডেনিং করা চারা লাগাতে হবে। গাছ ৬-৭ ইঞ্চি লম্বা হলে গাছের আগা কেটে দিলে অনেক শাখা বের হবে। পরে গাছগুলো বড় হতে থাকলে একসঙ্গে খুঁটি দিয়ে বেঁধে সোজা করে রাখতে হবে এবং নিয়মিত পানি দিতে হবে।
পানি সেচ : নিয়মিত পানি সেচ দিতে হবে। গাছ অতিরিক্ত পানি সহ্য করতে পারে না। মাঝে-মধ্যে মাটি শুকনো এবং মালচিং করে দিতে হবে।
রোগবালাই : মাটিবাহিত রোগের জন্য চারা লাগানোর আগে মাটি শোধন করে নিলে ভালো হয়। গোড়া পচা, উইলটিং, পাউডারি মিলডিউ, পাতা ও ফুলে দাগ পড়া এবং বস্নাইট রোগ দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে করে রোগ দমন করতে হবে।
কীটপতঙ্গ : জাবপোকা, মাইট, থ্রিপ পতঙ্গ কারনেশন আক্রমণ করে। কীটনাশক স্প্রে করে এসব দমন করতে হবে।
ফুল উত্তোলন : সকালবেলা ফুল সংগ্রহ করতে হবে। পূর্ণ বিকশিত হওয়ার আগেই ফুল সংগ্রহ করা প্রয়োজন। কাটার সময় ডাল যথাসম্ভব লম্বা রাখতে হবে। যত্ন করলে ২-৩ বছর পর্যন্ত একই গাছ থেকে ফুল সংগ্রহ করা যায়।
তথ্যসূত্র- দৈনিক যায় যায় দিন
ছবি- নেট

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)