ফক্সটেইল অর্কিড
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑹𝒉𝒚𝒏𝒄𝒐𝒔𝒕𝒚𝒍𝒊𝒔 𝒓𝒆𝒕𝒖𝒔𝒂
পরিচিতি:
এরা মূলত পরাশ্রয়ী শ্রেণীর অর্কিড। ঝুলন্ত মঞ্জরিতে অসংখ্য ফুলের বিন্যাস কিছুটা স্ফীত বলেই শেয়ালের লেজের সঙ্গে এর তুলনা করা হয়েছে। কারণ গোলাকার মঞ্জরিদণ্ডটি শেয়ালের লেজের মতো কিঞ্চিৎ ফোলানো। পাতা খাদাল ও লম্বা, ফুলের পাশে গাঢ়-সবুজ রঙের লম্বা পাতাগুলো ঝুলে থাকে বলে ফুলের সৌন্দর্য আরও বাড়ে। বায়ুমূল পুরুষ্টু ও ছড়ানো। পাতার কক্ষ থেকে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার লম্বা ঝুলন্ত মঞ্জরিতে শতাধিক সুগন্ধি বেগুনি-সাদা ফুল ঠাসাঠাসি করে থাকে। একসঙ্গে এত উজ্জ্বল ফুলের ক্রমবিন্যাসই সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে।
ফক্সটেইল অর্কিড সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতে। ভারতের উড়িষ্যা ও অরুণাচলে এটি সংখ্যায় বেশি। আমাদের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে এখনো অল্প পরিমাণে টিকে আছে।
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑹𝒉𝒚𝒏𝒄𝒐𝒔𝒕𝒚𝒍𝒊𝒔 𝒓𝒆𝒕𝒖𝒔𝒂
পরিচিতি:
এরা মূলত পরাশ্রয়ী শ্রেণীর অর্কিড। ঝুলন্ত মঞ্জরিতে অসংখ্য ফুলের বিন্যাস কিছুটা স্ফীত বলেই শেয়ালের লেজের সঙ্গে এর তুলনা করা হয়েছে। কারণ গোলাকার মঞ্জরিদণ্ডটি শেয়ালের লেজের মতো কিঞ্চিৎ ফোলানো। পাতা খাদাল ও লম্বা, ফুলের পাশে গাঢ়-সবুজ রঙের লম্বা পাতাগুলো ঝুলে থাকে বলে ফুলের সৌন্দর্য আরও বাড়ে। বায়ুমূল পুরুষ্টু ও ছড়ানো। পাতার কক্ষ থেকে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার লম্বা ঝুলন্ত মঞ্জরিতে শতাধিক সুগন্ধি বেগুনি-সাদা ফুল ঠাসাঠাসি করে থাকে। একসঙ্গে এত উজ্জ্বল ফুলের ক্রমবিন্যাসই সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে।
ফক্সটেইল অর্কিড সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতে। ভারতের উড়িষ্যা ও অরুণাচলে এটি সংখ্যায় বেশি। আমাদের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে এখনো অল্প পরিমাণে টিকে আছে।
Comments
Post a Comment