Skip to main content

বনকুলাথা বা বনকুরটি




বনকুলাথা বা বনকুরটি
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑪𝒂𝒋𝒂𝒏𝒖𝒔 𝒔𝒄𝒂𝒓𝒂𝒃𝒂𝒆𝒐𝒊𝒅𝒆𝒔
পরিচিতি:
লতানো গাছ। পত্র ৪ থেকে ৫ সেমি লম্বা, ৩-পত্রক, বিডিম্বাকার থেকে আয়তাকার, পুরু, গোড়ার দিকে তিনটি স্পষ্ট শিরা আছে, নিম্নভাগ রোমশ ও উপপত্র ক্ষুদ্র আকৃতির। পত্রবৃন্ত প্রায় ২ মিমি লম্বা, বাদামি ও রোমশ। খাটো কাক্ষিক মঞ্জরিদণ্ডে ২ থেকে ৬টি ফুল ফোটে। পাপড়ির রং হলুদ, ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার লম্বা। ফল শিমের মতো। ফুল ও ফলের মৌসুম জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত। স্থানীয়ভাবে গবাদিপশুর ডায়রিয়া নিরাময়ে এ গাছ কাজে লাগে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)