Skip to main content

কৃষ্ণচূড়া




কৃষ্ণচূড়া
ইংরেজি নাম: Flame Tree
বৈজ্ঞানিক নাম: Delonix Regia
কৃষ্ণচূড়া চমৎকার পত্র-পল্লব এবং আগুনলাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের জন্য প্রসিদ্ধ।
মাদাগাস্কারের প্রজাতি এখন ছড়িয়ে গেছে উষ্ণমন্ডলীয় বহু দেশে। বাংলাদেশেও অন্যতম জনপ্রিয় বৃক্ষ। মাঝারী গাছ, মাথা ছড়ানো, পত্রমোচী। শীতে পাতা ঝরে গ্রীষ্মের শুরু পর্যন্ত নিষ্পত্র থাকে এবং নিষ্পত্র গাছেই ফুল ফুটতে শুরু করে। সারা গাছ কমলা-লাল ফুলে ভরে উঠে। সে এক অপূর্ব শোভা। পাতা ২-পক্ষল, ৬০ সে মি পর্যন্ত লম্বা, পত্রিকা ২০-৪০ জোড়া, ক্ষুদে,, ১ সে মি লম্বা। ফুল ৭-১০ সে মি চওড়া, ৫ পাপড়ির একটি বড় ও তাতে হলুদ বা সাদা দাগ। ফল ৪০-৬০ সে মি লম্বা, শক্ত ও পাকলে গাঢ় ধুসর বা প্রায় কালো। বীজে চাষ। কলমও ধরে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)