Skip to main content

লাল রাস্না





লাল রাস্না
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑹𝒆𝒏𝒂𝒏𝒕𝒉𝒆𝒓𝒂 𝒊𝒎𝒔𝒄𝒉𝒐𝒐𝒕𝒊𝒂𝒏𝒂
পরিচিতি:
এরা উচ্চ বৃষ্টিপাত ও অধিক সূর্যালোক যুক্ত স্থানে ভাল জন্মে। এদের প্রায় সব বোটানিক গার্ডেন ও নার্সারিতে পাওয়া যায়। এদের পাতাগুলো আয়তাকার এবং কান্ড ৯০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। সাধারনত এপ্রিল-মে মাসে ফুল আসে। ফুল উজ্জ্বল লাল রঙের হয় এবং একটি পুষ্পবিন্যাসে ১৫-৩০ টি ফুল আসে। বৃত্তাংশের পৃষ্টতল রৈখিক এবং পাপড়ি গুলো বিস্তৃত বৃত্তাকার হয়। ফুল গুলো টেকসই হয় অনেক দিন পর্যন্ত।
লাল রাস্না অর্কিড প্রজাতিটি আসাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরাম, মায়ানমার, লাওস এবং ভিয়েতনামে জন্মাতে দেখা যায়। এরা বড় গাছের নিচে ফুটে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...