Skip to main content

হাপরমালী




হাপরমালী
বৈজ্ঞানিক নাম: Vallaris solanacea
পরিচিতি:
হাপরমালী কাষ্ঠল বুনো লতা। কাণ্ড ধূসর, পাতা উজ্জ্বল ও আগা চোখা। কাণ্ডে সাদা রঙের কষ থাকে। পাতার বিন্যাস বিপরীত এবং প্রায় পাঁচ ইঞ্চি লম্বা হয়। লতাশ্রয়ী গাছ বেয়ে অনেক ওপরে ওঠে। শাখা-প্রশাখা ঝোপ আকারে বেড়ে ওঠে। বসন্তে পাতার মধ্য দিয়ে তিন থেকে ছয়টি ফুলের ছোট থোকা বের হয়। ফুলের রং ক্রিম সাদা। ফুলে পাঁচটি গোল পাপড়ি থাকে। বৃতি পাঁচটি। বনে বীজের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে, তবে কলমে চারা হয়। ফুল তীব্র সুগন্ধি। হাপরমালী পশ্চিমবঙ্গে রামসর নামে পরিচিত। হাপরমালী বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের আদিবাসী।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)