Skip to main content

অতিবিষা



অতিবিষা
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑨𝒄𝒐𝒏𝒊𝒕𝒖𝒎 𝒉𝒆𝒕𝒆𝒓𝒐𝒑𝒉𝒚𝒍𝒍𝒖𝒎 Wall.
পরিচিতি:
এই গাছ লম্বায় ১ থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত হয়। এর কন্দ থেকে থেকে শিকড় বের হয়। এই শিকড়ই মূলত অতিবিষা নামে বৈদ্যরা ব্যবহার করেন।
এর কাণ্ড সরল, ডালগুলো চেপ্টা এবং পাতায় ভরা থাকে। পাতাগুলো ২-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়। পাতার আকার হৃদপিণ্ডাকার। পাতার প্রান্তভাগে দাঁতের মতো অংশ লক্ষ্য করা যায়। এর ফুলের শিরাগুলো বেগুনি রঙের হয়।
আয়ুর্বেদ মতে- অতিবষা তিন ধরনের হয়। এগুলো হলো- শ্বেত, কৃষ্ণ ও রক্তবর্ণ। অতিবিষার মূল জ্বর প্রশমক এবং ইন্দ্রিয়-উত্তেজক। অজীর্ণ ও কাসি নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
সাধারণত হিমালয়ের অতি উচ্চস্থানে জন্মে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)