Skip to main content

নীল রাস্না




নীল রাস্না
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑽𝒂𝒏𝒅𝒂 𝒄𝒐𝒆𝒓𝒖𝒍𝒆𝒂
পরিচিতি:
এটি “autumn lady’s tresses” নামেও পরিচিত। এর ফুল নীল রঙের হয় ও অনেক দিন পর্যন্ত তাজা থাকে। এদের সাধারণত রুক্ষ বাকল ছাড়ানো গাছে উঁচুতে জন্মাতে দেখা যায়, যাতে সরাসরি সূর্যের আলো, বৃষ্টি ও বাতাস পেতে পারে। এদের পাতা ৩-১০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কান্ডের নিকটবর্তী পাতা প্রতি বছর শুকিয়ে পড়ে যায়।
এটি প্রকৃতিতে দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছে।
এই প্রজাতির অর্কিড আসাম এবং এর নিকটবর্তী খাসি পাহাড় থেকে চীন পর্যন্ত বিস্তৃত। মনিপুরি ভাষায় একে Kwaklei আর সংস্কৃতে Vandaar বলা হয়।
বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনের দ্বারা এই অর্কিড প্রজাতিটি সংরক্ষিত হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)