খুলশী
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑨𝒆𝒈𝒊𝒄𝒆𝒓𝒂𝒔 𝒄𝒐𝒓𝒏𝒊𝒄𝒖𝒍𝒂𝒕𝒖𝒎
পরিচিতি:
বিরল এই উদ্ভিদ সাধারণত সুন্দরবনে বিচ্ছিন্নভাবে জন্মে। সমষ্টিগতভাবে থাকে না। প্রচুর আলো পড়ে এমন পরিবেশে ভালো জন্মে। লবণাক্ততার মাত্রা যেখানে বেশি সেখানে এরা ভালো থাকে।
পরিচিতি:
বিরল এই উদ্ভিদ সাধারণত সুন্দরবনে বিচ্ছিন্নভাবে জন্মে। সমষ্টিগতভাবে থাকে না। প্রচুর আলো পড়ে এমন পরিবেশে ভালো জন্মে। লবণাক্ততার মাত্রা যেখানে বেশি সেখানে এরা ভালো থাকে।
পাতা গোলাকার বা ডিম্বাকার, ৪-৮ সেন্টিমিটার। পাতার রং হালকা সবুজ। পাতাগুলো একযোগে সাজানো থাকে। পাতায় কখনো মোমের আবরণ দেখা যায়। পত্রকোণ এবং শাখার আগায় ফুলের মঞ্জরিতে ফুল ধরে। সাদা রঙের ফুল ফোটে। ফুল ১-২ সেন্টিমিটার, গুচ্ছবদ্ধ ও ঘন আকারে থাকে। পাপড়ি সাদা বা ফ্যাকাশে গোলাপি। ফুল সুগন্ধি। কীটপতঙ্গ দ্বারা ফুলের পরাগায়ন হয়।
ফল দেখতে কিছুটা মটরশুঁটির মতো। লম্বায় প্রায় ৫-৮ সেন্টিমিটার। প্রতিটি ফলে একটি বীজ থাকে। বীজ থেকে চারা গজায়। খুলশীর পাতা বিভিন্ন প্রজাতির মথ, ক্যাটারপিলারের খাবার। আদিবাসী কোনো কোনো গোত্রের লোকেরা পাতা কাঁচা বা তরকারি হিসেবে খায়। বাকল মাছ ধরতে ব্যবহার করা হয়। বাকল ও বীজ বিষাক্ত। স্যাপনিন নামের টক্সিনজাতীয় পদার্থ থাকে।
খুলশী ভারত, বাংলাদেশ, নিউগিনি, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ চীনসহ নানা দেশে জন্মে।
Comments
Post a Comment