Skip to main content

কুরেটা






কুরেটা
বৈজ্ঞানিক নাম: Sida acuta
পরিচিতি:
বর্ষজীবী কাষ্ঠল বীরুধ বা গুল্ম-জাতীয় গাছ। সাধারণত পথের ধারে, বাঁধ, মাঠ, পতিত জায়গা ও পাহাড়ের ঢালে আপনা-আপনিই জন্মায় এসব গাছ। গাছটি এক মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। কাণ্ড, পত্রবৃন্ত এবং পুষ্পবৃন্তিকা ক্ষুদ্রাকার তারকাকৃতি এবং লম্বা সাধারণ রোমাবৃত। পাতা দুই থেকে ছয় মিলিমিটার লম্বা বৃন্তযুক্ত, পত্রফলক দুই থেকে আট সেন্টিমিটার, ভল্লাকার থেকে রৈখিক, শীর্ষ তীক্ষ থেকে দীর্ঘাগ্র, স্থূল ক্রকচ, কিনারা বিক্ষিপ্তভাবে রোমশ। ফুল ফোটে পাতার কোলে, একক বা গুচ্ছবদ্ধভাবে। দলমণ্ডল আড়াআড়িভাবে পাঁচ থেকে ছয় মিলিমিটার, হালকা হলুদ, পাপড়ি পাঁচটি, বৃতির খণ্ডের সমান অথবা বৃতির খণ্ড থেকে সামান্য লম্বা। প্রস্ফুটনকাল সেপ্টেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর উষ্ণমণ্ডলীয় দেশগুলোতে সহজলভ্য। বংশ বৃদ্ধি বীজের মাধ্যমে। পাতা ও বীজ নানা ধরনের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার্য।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)