
সোনা/শোনা
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑶𝒓𝒐𝒙𝒚𝒍𝒖𝒎 𝒊𝒏𝒅𝒊𝒄𝒖𝒎
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑶𝒓𝒐𝒙𝒚𝒍𝒖𝒎 𝒊𝒏𝒅𝒊𝒄𝒖𝒎
পরিচিতি:
এই গাছগুলো উচ্চতায় প্রায় ১৩ মিটার (৩৯ ফুট)। এর ছাল বেশ পুরু হয়। এর পত্রদণ্ড প্রায় ২-৪ ফুট লম্বা হয়। এই পত্রদণ্ডের অগ্রভাগে একটি পত্রিকা থাকে। অন্যান্য পত্রিকাগুলো পক্ষাকারে থাকে। প্রতিটি পত্রিকার দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৩-৪ ইঞ্চি চওড়া। পত্রিকার ছোটো বোঁটা।
এর পুষ্পদণ্ড ১০ ইঞ্চি, পুস্পস্তবক ২.৫০ ইঞ্চি এবং মাংসল। তবে ফুলের গন্ধ বেশ অপ্রীতিকর। এর অভ্যন্তরভাগ ফিকে লাল আভাযুক্ত পীতবর্ণের হয়। বহির্ভাগ ঈষৎ লাল আভাযুক্ত বেগুনি বর্ণের হয়। এর পাপড়ির আকার ১/৪-১ ইঞ্চি হয়। এর পুংকেশরের সংখ্যা ৫টি। এর ভিতরে একটি পুংকেশর ছোটো হয়। পুংকেশর বিস্তৃতভাবে থাকে এবং এগুলো পশমযুক্ত। এর স্ত্রীকেশর লম্বায় ২.৫০ ইঞ্চি হয়। ফলগুলো ১-৩ ফুট লম্বা এবং ২-৩ ইঞ্চি চওড়া হয়। বীজকোষ কাঠের মতো শক্ত খোলসযুক্ত। ফলগুলো চ্যাপ্টা তরোয়ালের মতো বাঁকা হয়।
এই গাছগুলো উচ্চতায় প্রায় ১৩ মিটার (৩৯ ফুট)। এর ছাল বেশ পুরু হয়। এর পত্রদণ্ড প্রায় ২-৪ ফুট লম্বা হয়। এই পত্রদণ্ডের অগ্রভাগে একটি পত্রিকা থাকে। অন্যান্য পত্রিকাগুলো পক্ষাকারে থাকে। প্রতিটি পত্রিকার দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৩-৪ ইঞ্চি চওড়া। পত্রিকার ছোটো বোঁটা।
এর পুষ্পদণ্ড ১০ ইঞ্চি, পুস্পস্তবক ২.৫০ ইঞ্চি এবং মাংসল। তবে ফুলের গন্ধ বেশ অপ্রীতিকর। এর অভ্যন্তরভাগ ফিকে লাল আভাযুক্ত পীতবর্ণের হয়। বহির্ভাগ ঈষৎ লাল আভাযুক্ত বেগুনি বর্ণের হয়। এর পাপড়ির আকার ১/৪-১ ইঞ্চি হয়। এর পুংকেশরের সংখ্যা ৫টি। এর ভিতরে একটি পুংকেশর ছোটো হয়। পুংকেশর বিস্তৃতভাবে থাকে এবং এগুলো পশমযুক্ত। এর স্ত্রীকেশর লম্বায় ২.৫০ ইঞ্চি হয়। ফলগুলো ১-৩ ফুট লম্বা এবং ২-৩ ইঞ্চি চওড়া হয়। বীজকোষ কাঠের মতো শক্ত খোলসযুক্ত। ফলগুলো চ্যাপ্টা তরোয়ালের মতো বাঁকা হয়।
ভারতের ছোটোনাগপুর, বিহার ও উত্তরবঙ্গে এই গাছ জন্মে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে এই গাছ দেখা যায়। তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুই একটি এই গাছ দেখা যায়।
Comments
Post a Comment