Skip to main content

কালকাসুন্দা





কালকাসুন্দা
বৈজ্ঞানিক নাম: Cassia sophera
পরিচিতি:
পথের আশপাশে প্রচুর পরিমাণে জন্মাতে দেখা যায়। এগুলো দুই রকম গাছ দেখা যায়। একটি ছোট, অন্যটি বড়। গড়পড়তা ৩৫ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। বেশ ঝাঁকড়া ও শক্তপোক্ত ধরনের গুল্ম। আমাদের দেশের অন্যতম বুনোফুল। লম্বা ডাঁটার দুই পাশে অনেক ছোট ছোট লম্বা-আয়তাকার পাতা থাকে। বেশি ফুল ফোটে বসন্ত ও গ্রীষ্মে। গুচ্ছবদ্ধ হলুদ রঙের ফুলগুলো বেশ আকর্ষী। অনেক দূর থেকেই আমাদের দৃষ্টিকাড়ে। গন্ধ কিছুটা উগ্র। ফুল শেষে সরু ও লম্বা ফল আসে। পরিণত ফল বাতাসে ঝনঝন শব্দ তোলে। কালকাসুন্দার অনেক ওষুধি গুণ। প্রাচীনকাল থেকেই কবিরাজেরা এগুলো ব্যবহার করে আসছেন।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)