Skip to main content

বিলিম্বি



বিলিম্বি
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝑨𝒗𝒆𝒓𝒓𝒉𝒐𝒂 𝒃𝒊𝒍𝒊𝒎𝒃𝒊
পরিচিতি:
বিলিম্বি গাছ মাঝারি আকৃতির। চিরসবুজ। দেখতে অনেকটা কামরাঙাগাছের মতো। বিলিম্বি গাছকে বাড়তে দিলে ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ফল খুবই টক, লম্বায় প্রায় ৫-৮ সেন্টিমিটার, ব্যাসার্ধ ২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার। ফল বেশ লম্বাটে এবং মাথার দিক কিছুটা মোটা। কামরাঙার মতো অত বেশি খাঁজকাটা নয়। তবে হালকা পাঁচটি খাঁজ বিলিম্বিতেও আছে। ফলের রং সুবজাভ হলুদ। গাছের কাণ্ড ও শাখা-প্রশাখায় থোকায় ফল ধরে। এখন আর শুধু টক বিলিম্বি নয়, বিজ্ঞানীরা এর একটি মিষ্টি স্বাদের জাতও উদ্ভাবন করেছেন।
বিলিম্বির বীজ থেকে চারা হয়। ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে, অর্থাৎ শাখা কলম করে চারা তৈরি করা যায়।
ধারণা করা হয়, বিলিম্বির আদি নিবাস মালাক্কা-ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার প্রভৃতি দেশে বিলিম্বিগাছ দেখা যায়।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)