রান্নাঘরের একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। একটি তার পড়ে গিয়েছিল কোনোভাবে। তারপর পায়ে পায়ে গড়িয়ে, সাইকেলের চাকায় পাক খেতে খেতে পথের এধার থেকে ওধারে কত গড়াগড়ি খেয়ে শেষে দেওয়ালের ধারে, ভাঙা রাস্তার একটি খাঁজে আশ্রয় হলো।
সেখানে মাটি নেই, আছে একটুখানি জমা ধুলো।
সেখানে জল নেই, আছে ড্রেনের পাইপ ফেটে চুঁয়ে আসা জলে একটু শুধু স্যাঁতস্যাঁতে ভাব।
বীজ অঙ্কুরিত হলো তাতেই। চারাটি জন্মালো। গাছ বড় হতে লাগলো। আমি রোজ দেখি ওকে।
না, সংগ্রামী অভিনন্দন জানাই নি কোনোদিন, প্রার্থনা করছি, ও যেন বেঁচে থাকে, একটি অন্ততঃ ফল যেন ফলিয়ে যেতে পারে।
এখন গাছ ভরে ফুল এসেছে। কি অপূর্ব বাহার হয়েছে।
সরষে ফলুক আবার ছবি তুলবো।
Comments
Post a Comment