অঞ্জন
বৈজ্ঞানিক নাম: Memecylon edule
পরিচিতি:
উদ্ভিদ গড়নে ঝোপাল ও চিরসবুজ। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পাতা লম্বায় ৬ থেকে ১০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে আড়াই থেকে ৫ সেন্টিমিটার। গাঢ়-সবুজ রঙের এবং চার্ম। ফুল ফোটার মৌসুম বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি। কাণ্ড ও ডালপালাজুড়ে ছোট ছোট নীলচে বেগুনি রঙের ফুলের থোকার রঙ সত্যিই মোহনীয়। প্রতিটি ফুলের গুচ্ছ ৫ মিলিমিটার চওড়া, ডালের গা থেকে বেরোয় এবং প্রায় সারা গাছ ছেয়ে ফেলে। ফল প্রথমে লাল, ধীরে ধীরে কালো রঙ ধারণ করে। আমাদের দেশে সাধারণত কলমেই চাষ। জন্মস্থান ভারত ও মিয়ানমার।
গুনাগুন:
গাছের নির্যাস থেকে তৈরি করা হয় হলুদ রঙ। এর পাতা এবং মূল আমাশয় নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গনোরিয়ার চিকিৎসায় এর ব্যবহার পুরনো।
রাসায়নিক উপাদান:
গাছের পাতা, বাকল এবং কাঠে রয়েছে- প্রচুর পরিমাণ গ্লুকোসাইড, রেজিম, আঠা এবং মেলিক এ্যাসিড। আছে প্রচুর পরিমাণে এ্যালুমুনিয়ামও।
পরিচিতি:
উদ্ভিদ গড়নে ঝোপাল ও চিরসবুজ। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পাতা লম্বায় ৬ থেকে ১০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে আড়াই থেকে ৫ সেন্টিমিটার। গাঢ়-সবুজ রঙের এবং চার্ম। ফুল ফোটার মৌসুম বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি। কাণ্ড ও ডালপালাজুড়ে ছোট ছোট নীলচে বেগুনি রঙের ফুলের থোকার রঙ সত্যিই মোহনীয়। প্রতিটি ফুলের গুচ্ছ ৫ মিলিমিটার চওড়া, ডালের গা থেকে বেরোয় এবং প্রায় সারা গাছ ছেয়ে ফেলে। ফল প্রথমে লাল, ধীরে ধীরে কালো রঙ ধারণ করে। আমাদের দেশে সাধারণত কলমেই চাষ। জন্মস্থান ভারত ও মিয়ানমার।
গুনাগুন:
গাছের নির্যাস থেকে তৈরি করা হয় হলুদ রঙ। এর পাতা এবং মূল আমাশয় নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গনোরিয়ার চিকিৎসায় এর ব্যবহার পুরনো।
রাসায়নিক উপাদান:
গাছের পাতা, বাকল এবং কাঠে রয়েছে- প্রচুর পরিমাণ গ্লুকোসাইড, রেজিম, আঠা এবং মেলিক এ্যাসিড। আছে প্রচুর পরিমাণে এ্যালুমুনিয়ামও।

বাংলাদেশে কোথায় দেখতে পাওয়া যাবে?
ReplyDelete