Skip to main content

পুদিনা

 আমাদের ছাদে এই পুষ্পমঞ্জরীর নাম পুদিনা বা স্পিয়ারমিন্ট (Spearmint), বৈজ্ঞানিক নাম Mentha spicata.

কদিন আগে বাড়িতে একবার পুদিনা পাতার দরকার হয়। বিক্রেতা পাতা বা ডগা দেয়নি, গোটা গোটা গাছ দিয়েছিল। দরকারি পাতাগুলি নিয়ে গোড়াটুকু নীলমণি লতার টবে বসিয়ে দেওয়া হয়।
এখন ঝাঁক ঝাঁক পাতা হচ্ছে, সঙ্গে এই ফুল। দেখতে কিছুটা তুলসী মঞ্জরীর মতো।
মিন্ট যিনি কোনোদিন মুখে দেননি তাঁকে মিন্টের স্বাদ বোঝানো খুব মুশকিল। একজন বলেছিল, মিন্ট হলো মেন্থলের স্বাদ।
কিন্তু সেটিই বা কেমন!
এই স্পিয়ারমিন্ট বা পিপারমিন্ট গাছ থেকে নিষ্কাশিত সুগন্ধী জৈব পদার্থটির নাম মেন্থল। এবং তা মুখে দিলে ঠান্ডা বোধ হয়। কিন্তু স্বাদে কেমন তা বলা ভারী ঝঞ্ঝাটের।
বন্ধুটি বলেছিল, এত বোঝাতে যেও না। বাজারে নিয়ে গিয়ে একটা চিউইং গাম কিনে চিবোতে বলবে।
সেটাই মিন্ট, সেটাই মেন্থল।



Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)