Skip to main content

ক্যালিয়ান্ড্রা, পাউডার পাফ


ফুলের নাম- ক্যালিয়ান্ড্রা, পাউডার পাফ

বৈজ্ঞানিক নাম- Calliandra spp.
পরিবার- Fabaceae
Fabaceae পরিবারের প্রায় ১৪০ প্রজাতির গাছ নিয়ে গঠিত গণের নাম Calliandra। গাছগুলো আমাদের বেশ পরিচিত। বাগানে প্রায়ই ঝোপ করে রাখতে দেখা যায়। ছড়ান পুংকেশরে সাজানো লাল টুকটুকে ফুল, সহজেই মন ভোলায়! গাছগুলোর আদিনিবাস আমেরিকা মহাদেশের উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চল। বাগানের গাছ হিসেবে কয়েকটি প্রজাতি বেশ জনপ্রিয় হওয়ায় ছড়িয়ে গেছে অন্যান্য দেশে-মহাদেশে।
Calliandra haematocaphala: ইংরেজিতে পরিচিত নাম- red powder puff। গাছগুলো গুল্ম বা ছোট বৃক্ষজাতীয়। খুব দ্রুতবর্ধনশীল। লম্বায় বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রচুর ডালপালা মেলে দেয়। বাগানে ছেটে ছোট করে রাখা হয়। পাতা যৌগপত্র, ২পক্ষল, প্রত্যেক পক্ষে ৮-১০ জোড়া পত্রিকা। ফুল লাল রঙের, ঘন এবং অসংখ্য পুংকেশর, শরৎ ও শীতে ফুল।
সাদা ফুলেরও একটি ভ্যারাইটি আছে। Calliandra emerginata: ইংরেজি নাম- Dwarf poder puff। এরা মাঝারি আকৃতির গুল্ম। পাতা যৌগপত্র, খুব খাটো, প্রতি পক্ষে ৩ পত্রিকা, নিচের পত্রিকা ছোট, উপরের ২টি বড়, গ্রীষ্ম ও বর্ষায় বেশি ফুল ফোটে। Calliandra brevipes: ১.৫-২ মিটার উঁচু গাছ। পাতা যৌগপত্র, ২-৫সেমি লম্বা, ৮-১০ জোড়া পত্রিকা, খুব ছোট, ৩-৬ মিমি লম্বা। প্রায় সারাবছরই ফুল, তবে শীতে বেশি। ডালের আগায় প্রায় ৫ সেমি চওড়া একটি থোকায় কয়েকটি ফুল, সাদাটে গোলাপী রঙের। Calliandra surinamensis: গুল্মজাতীয়, প্রচুর ডালপালা হয়, প্রায় ৫মিটার লম্বা হতে পারে। পাতা যৌগপত্র, ৬ জোড়া পত্রিকা। ফুল হালকা গোলাপি রঙের, তাই ইংরেজি নাম- পিঙ্ক পাউডার পাফ। প্রত্যেকটি গাছেই ফুলের পর বীজধারণকারী ফল হয়। বীজ ও কলম থেকে নতুন চারা করা যায়। এরা সরাসরি রোদ বা আংশিক ছায়ায় ভালো জন্মে। পানি যেন গাছের গোড়ায় জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এছাড়া, বাড়তি কোনো যত্নের প্রয়োজন হয় না।
তথ্য সহায়ক- ফুলগুলি যেন কথা
ছবি- নেট

Comments

Popular posts from this blog

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

কুঞ্জলতা

|| কুঞ্জলতা || অন্যান্য নাম : কুঞ্জলতা, কামলতা, তারালতা, তরুলতা, গেইট লতা, সূর্যকান্তি, জয়ন্তী ফুল। ইংরেজি নাম : Cypress Vine, Cypressvine Morning Glory, Cardinal Creeper, Cardinal Climber, Cardinal Vine, Star Glory, Hummingbird Vine, Cupid's flower বৈজ্ঞানিক নাম : Ipomoea quamoclit কুঞ্জলতা একপ্রকার বর্ষজীবী লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস ক্রান্তীয় আমেরিকা হলেও এটি দুনিয়ার প্রায় সকল ক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, ভিয়েতনাম, মেক্সিকো এবং আমাদের দেশেও ব্যাপক ভাবে এর দেখা মেলে। কুঞ্জলতা সাধারণত ১-৩ মিটার লম্বা হয়। কান্ড নরম সবুজ, সহজেই ভেঙে যায় তবে পরিনত হলে বাদামি রঙের ও তুলনায় পোক্ত হয়ে থাকে। এর কান্ড বল্লী ধরনের অর্থাৎ এদের কোন আকর্ষ থাকে না তাই কান্ডের সাহায্যে কোন অবলম্বন কে জড়িয়ে ওপরে ওঠে। কুঞ্জলতার পাতা গাঢ় সবুজ রঙের। পাতা সরল, একান্তর ভাবে সজ্জিত। পাতাগুলি ৫ – ৭.৫ সেমি লম্বা। পত্রকিনারা পালকের মতো গভীরভাবে খন্ডিত, পাতার প্রত্যেক পাশে ৯-১৯টি করে খন্ড থাকে। এরূপ খন্ডনের কারনে পাতাগুলিকে দেখতে লাগে অনেকটা ফার্ণের মত। ঘনভাবে লতানো কুঞ্জলতার পাতাও ...

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল