Skip to main content

গ্লিরিসিডিয়া


ফুলের নাম- গ্লিরিসিডিয়া

বৈজ্ঞানিক নাম- Gliricidia sepium
পরিবার- Fabaceae
মধ্য-আমেরিকা ও কলম্বোর প্রজাতি। ১৫-২০ মি উঁচু, ছড়ান গাছ, ডালগুলি মাটির দিকে নোয়ানো, কান্ড ও ডাল সাদা ফোঁটায় ভরা, পত্রমোচী। যৌগপত্র ১-পক্ষল, বিজোড়পক্ষ, ৩০সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রিকা ৯-১৯টি, ৫-৯ সেমি লম্বা, মসৃণ। বসন্তের শুরুতে নিষ্পত্র গাছ হালকা বেগুনি বা গোলাপী রঙের ফুলের ছোট ছোট থোকায় ভরে উঠে। শিম ফুলের গড়নের ফুল ১.৫-২ সেমি লম্বা, হালকা সুগন্ধি। ফল ১৫*২ সেমি। বীজ প্রায় ১০টি, চ্যাপ্টা, ৮-১২ মিমি চওড়া। বীজে চাষ। লম্বা ডালের কলমও বাঁচে। বাড়ে দ্রুত।
তথ্যসূত্র- ফুলগুলি যেন কথা

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...