সমুদ্রের বালিয়াড়ি তে ঝোঁপ জাতীয় যে গাছ গুলো দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম এই গোখারু !! ঘন সবুজ চকচকে মোটা পাতা , ঝোপালো গাছ , লম্বা শিকর , বালিকে ধরে রাখে শক্ত করে !! সামুদ্রিক জীববৈচিত্রে অপরিহার্য প্রতিনিধি !! এর বিস্তার ভারতীয় উপকূল , শ্রীলঙ্কা , ইন্দোনেশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা উপকূল বরাবর !!
এই সময়ে ফুল ফোটার সময় , ঘীয়েটে সাদা ফুল , নাভীতে ক্রোমশ হলুদের গাঢ়ত্ব !! সবুজ পাতার মধ্যে দারুন লাগে ফুল গুলো !!
এর সঠিক বাংলা নাম জানা নেই , তবে ভারতীয় বেশিরভাগ ভাষায় এর নামে গোখারু শব্দটি রয়েছে !! আছে এর অনেক আয়ুর্বেদিক গুন , প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে উল্লেখ আছে এর Brihat Gokshura নামে !! এর কচি পাতা শাক হিসেবে খায় স্থানীয় অধিবাসীরা !! এর পাতা ও শিকরের রসে আছে রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা , পুরুষত্ব বৃদ্ধিতে ব্যাবহার করা হয় এই গাছ , গনেরিয়া , মুত্রবর্ধক ঔষধ থেকে আরো অনেক রোগের ঔষধ তৈরি হয় এ গাছ থেকে !! আমাদের পূর্ব মেদিনীপুর এর উপকূলীয় অঞ্চলে ও অনেক দেখা যায় একে !! আর এই গোখারুর বিজ্ঞান সম্মত নাম - Pedalium murex .
Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

Comments
Post a Comment