Skip to main content

কুসুম

Ceylon oak (কুসুম গাছ) - Schleichera oleosa | Botanical ...

 শিবপুরের বি ই কলেজে এই কুসুম গাছটি আমার বহু দিনের পরিচিত এবং বড্ড আপন। শুধু এই গাছটি দেখতেই আমি বারবার ছুটে গেছি ওর কাছে।

কুসুম গাছে এখন কচি পাতা ধরেছে। সে পাতার রং টুকটুকে লাল। মনে হয় ফুলে ফুলে গাছ ভরে আছে। সেটিই তার শোভা। নতুন পাতায় সেজে ওঠা বসন্তের এই দিনগুলির জন্যই তার সারা বছরের প্রতীক্ষা।
কচি পাতার সঙ্গে প্রতি অগ্রমুকুলে কুঁড়িও ধরেছে প্রচুর। কিন্তু কুসুমের ফুল উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। হলুদ রঙের গুঁড়িগুঁড়ি ছোট ফুল ফোটে।
কুসুমের ইংরাজি নাম Ceylon oak বা এমনিই Kusum.আর বৈজ্ঞানিক নাম Schleichera oleosa. কোথাও কোথাও একে লাক্ষা গাছও বলা হয়। কারণ এর পাতায় কুসুমী লাক্ষার (Kerria lacca) গুটি ধরে।
কুসুম একটি পাতাঝরা বৃক্ষ। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময়ই ঘন পাতায় চেয়ে থাকে, নিবিড় ছায়া দান করে।
কুসুমের লম্বাটে গোল ফল ফলে। তার বীজ থেকে যে তেল পাওয়া যায় তার নাম কুসুম তেল। সেই তেল চুলের পক্ষে খুব ভালো। জবাকুসম তেলের নাম আমরা সবাই জানি। তাছাড়া কুসুম তেল ত্বকের পক্ষেও খুব ভালো। নানান চর্ম সমস্যায়, এমনকি রিউমাটিজম এর ভালো ওষুধ।

আমরা যে কুসুম বনস্পতির (vegetable oil) কথা জানি, সে অন্য গাছ। ঝোপের মতো সেই গাছে হলুদ রঙের বড় বড় ফুল ফোটে। তার নাম Safflower. সেই ফুলের বীজই বনস্পতির উৎস।

Comments

Popular posts from this blog

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

কুঞ্জলতা

|| কুঞ্জলতা || অন্যান্য নাম : কুঞ্জলতা, কামলতা, তারালতা, তরুলতা, গেইট লতা, সূর্যকান্তি, জয়ন্তী ফুল। ইংরেজি নাম : Cypress Vine, Cypressvine Morning Glory, Cardinal Creeper, Cardinal Climber, Cardinal Vine, Star Glory, Hummingbird Vine, Cupid's flower বৈজ্ঞানিক নাম : Ipomoea quamoclit কুঞ্জলতা একপ্রকার বর্ষজীবী লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস ক্রান্তীয় আমেরিকা হলেও এটি দুনিয়ার প্রায় সকল ক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, ভিয়েতনাম, মেক্সিকো এবং আমাদের দেশেও ব্যাপক ভাবে এর দেখা মেলে। কুঞ্জলতা সাধারণত ১-৩ মিটার লম্বা হয়। কান্ড নরম সবুজ, সহজেই ভেঙে যায় তবে পরিনত হলে বাদামি রঙের ও তুলনায় পোক্ত হয়ে থাকে। এর কান্ড বল্লী ধরনের অর্থাৎ এদের কোন আকর্ষ থাকে না তাই কান্ডের সাহায্যে কোন অবলম্বন কে জড়িয়ে ওপরে ওঠে। কুঞ্জলতার পাতা গাঢ় সবুজ রঙের। পাতা সরল, একান্তর ভাবে সজ্জিত। পাতাগুলি ৫ – ৭.৫ সেমি লম্বা। পত্রকিনারা পালকের মতো গভীরভাবে খন্ডিত, পাতার প্রত্যেক পাশে ৯-১৯টি করে খন্ড থাকে। এরূপ খন্ডনের কারনে পাতাগুলিকে দেখতে লাগে অনেকটা ফার্ণের মত। ঘনভাবে লতানো কুঞ্জলতার পাতাও ...

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল