Skip to main content

লালভান্ডির



Image result for Clerodendrum paniculatum

অন্য নাম: লালভান্ডির/ লাল ভাঁট
ইংরেজি নাম: Pagoda Flower, Glorybower, Orange Tower Flower, Clerodendron flower, Hanuman kireetam.
সংস্কৃত নাম: কৃষ্ণ কিরীট, কৃষ্ণ কিরীদম।
সাইন্টিফিক নাম: Clerodendrum paniculatum L.

আমাদের দেশী গাছ, সিলেট সহ সব পার্বত্যভূমি তে প্রচুর জন্মে। অপরুপ ফুলের জন্যই অনেকে বাগানে শখ করে লাগান। বুনো পরিবেশে জন্মায়। ফুলের মিল আছে ভাঁটফুলের সাথে।
বেশি যত্নের প্রয়োজন নেই তার।
ডাল পুতে দিলেও বর্ষা তে হয়ে যায় গাছ, এছাড়া শিকড় থেকে ও বীজ থেকেও জন্মায়।
প্যাগোডা র মত শেপের কারণেই হয়ত এমন নামকরণ।


লালভান্ডির (বৈজ্ঞানিক নামClerodendrum paniculatum) দীর্ঘ মঞ্জরির রক্তিম ফুলের গাছ। লালভান্ডিরের ইংরেজি নাম প্যাগোডা ফ্লাওয়ার, রেড গ্লোরি ফ্লাওয়ার, ড্যানডার ফ্লাওয়ার ইত্যাদি। ফুল ফোটার মৌসুম অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিস্তৃত।




আদি আবাস

আদি আবাস শ্রীলঙ্কামালয়শিয়াভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ।

আকার

ঝোপালো গাছ, বহুবর্ষজীবী ছোট গুল্ম, সাধারণত দুই থেকে তিন মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পত্র সরল, হূৎপিণ্ডাকার, বিপ্রতীপভাবে বিন্যস্ত। ফুল কাক্ষিক থেকে শীর্ষক। ফুল ও কুঁড়ি রক্ত-লাল, ঈষৎ দুর্গন্ধি। বৃতি ঘণ্টাকার, লাল থেকে কমলা-লাল। দলমণ্ডল ধুতুরাকার, নল সরু, কমলা-লাল থেকে রক্ত-লাল, কদাচ সাদা।

ব্যবহার

কোথাও কোথাও আলংকারিক গাছ হিসেবে রোপণ করা হয়। ধানের মণ্ড পবিত্রকরণ এবং মাছ ধরার খুঁটি হিসেবে ব্যবহিত হয়। শ্রীলঙ্কার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এ গাছ ব্যবহিত হয়। এ ছাড়া সেখানে হাতিদের অধিক আস্থাশীল ও সাহসী করার জন্য এ গাছ খাওয়ানো হয়। সুমাত্রা এবং মালয়েশিয়ায় ‘আত্মা ডেকে’ আনতে এ গাছ ব্যবহার করা হয়।


Comments

Popular posts from this blog

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...

কুঞ্জলতা

|| কুঞ্জলতা || অন্যান্য নাম : কুঞ্জলতা, কামলতা, তারালতা, তরুলতা, গেইট লতা, সূর্যকান্তি, জয়ন্তী ফুল। ইংরেজি নাম : Cypress Vine, Cypressvine Morning Glory, Cardinal Creeper, Cardinal Climber, Cardinal Vine, Star Glory, Hummingbird Vine, Cupid's flower বৈজ্ঞানিক নাম : Ipomoea quamoclit কুঞ্জলতা একপ্রকার বর্ষজীবী লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস ক্রান্তীয় আমেরিকা হলেও এটি দুনিয়ার প্রায় সকল ক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, ভিয়েতনাম, মেক্সিকো এবং আমাদের দেশেও ব্যাপক ভাবে এর দেখা মেলে। কুঞ্জলতা সাধারণত ১-৩ মিটার লম্বা হয়। কান্ড নরম সবুজ, সহজেই ভেঙে যায় তবে পরিনত হলে বাদামি রঙের ও তুলনায় পোক্ত হয়ে থাকে। এর কান্ড বল্লী ধরনের অর্থাৎ এদের কোন আকর্ষ থাকে না তাই কান্ডের সাহায্যে কোন অবলম্বন কে জড়িয়ে ওপরে ওঠে। কুঞ্জলতার পাতা গাঢ় সবুজ রঙের। পাতা সরল, একান্তর ভাবে সজ্জিত। পাতাগুলি ৫ – ৭.৫ সেমি লম্বা। পত্রকিনারা পালকের মতো গভীরভাবে খন্ডিত, পাতার প্রত্যেক পাশে ৯-১৯টি করে খন্ড থাকে। এরূপ খন্ডনের কারনে পাতাগুলিকে দেখতে লাগে অনেকটা ফার্ণের মত। ঘনভাবে লতানো কুঞ্জলতার পাতাও ...

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল