Skip to main content

মধুমাধবী





মধুমাধবী
বৈজ্ঞানিক নাম: 𝙎𝙩𝙞𝙭𝙞𝙨 𝙨𝙪𝙖𝙫𝙚𝙤𝙡𝙚𝙣𝙨
পরিচিতি:
মধুমাধবী প্রায় ১৫ মিটার লম্বা হয়। শাখা-প্রশাখা হালকা খয়েরি থেকে ধূসর। দৈর্ঘ্য ১৫-২৫ সেন্টিমিটার। ছোট ফুলে ৫-৬টি পাপড়ি থাকে। ফুল হালকা হলুদ, সুগন্ধি। ফল পাকলে কমলা রঙের হয়। ভারতের আদিবাসীরা এটির ফল খায়। ফুল ফোটে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত, থাকে আগস্ট-অক্টোবর মাস পর্যন্ত। বীজ থেকে চারা গজায়।
ঘন জঙ্গল, খোলা বন, পাহাড়ের পাদদেশে জন্মে। ভারতে প্রায় ১৫০০ মিটার উচ্চতায় দেখা যায়। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে আছে।

Comments

Popular posts from this blog

বরুণ ফুল

  বরুণ ফুল 

রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

  রামধন চাঁপা (Ochna obtusa/squarrosa)

Jhumko Lata, ঝুমকো লতা, Passion flower (Passiflora caerulea)

Jhumko Lata , ঝুমকো লতা, Passion flower ( Passiflora caerulea ) জংলি ঝুমকো ইংরেজি নাম: Wild Passion Flower বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida পরিচিতি: এটি আরোহী লতা। আকর্ষীর মাধ্যমে কোনো ধারককে আঁকড়ে ধরে বেয়ে ওঠে। ফুল সুগন্ধি নয়, তবে দেখতে আকর্ষণীয়। পাতা একান্তর, দুটি খাঁজ রয়েছে। ফুল বেগুনি ও সাদা রঙের। বৃতি পাঁচটি, দল পাঁচটি এবং বৃতি নল থেকে কিছুটা খাটো। ফল পাকলে কমলা লাল বর্ণের হয়।এর পাকা ফল খাওয়া যায়। স্বাদে মিষ্টি ও রসাল। কিন্তু কাঁচা ফল বিষাক্ত ও ভক্ষণে মানা। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, মাদাগাস্কার ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় এ লতার বিস্তৃতি রয়েছে। বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্যাশন ফ্লাওয়ার / ঝুমকোলতা বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora Incarnata পরিচিতি: এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছেরপাতা দেখতে হাতের তালুর মতো। পাতায় তিনটি খাঁজ আছে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে আঙ্গুল সদৃশ। পাতার অগ্রভাগ সুচালো। পাতার কক্ষ থেকে লতা বের হয়। ফুল একক, সুগন্ধযুক্ত। বাতাসে একটা মৌতাতানো সুবাসিত গন্ধ ছড়ায়। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি বাইরের দিকে সজ্জিত থাকে। এ গাছের ...